Unilever logo

তেল চিটচিটে কিচেন কাউন্টার, যেভাবে করবেন পরিষ্কার।

বাড়ির রান্নাঘর কিন্তু খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কারণ সেখানেই বাড়ির সবার জন্য খাবার রান্না করা হয়।

আপডেট করা হয়েছে

আর রান্না করার কাজটা পরিপাটি করে করতে গিয়ে তেল-মশলা ছিটে রান্নাঘরের টাইলস, ক্যাবিনেট, চুলা, সিংক ইত্যাদি ময়লা হয়। রান্নাঘর যদি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা না হয়, তবে সেখানে বিভিন্ন রোগজীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। তাই রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি খুব মনযোগী হতে হবে। তবে তেল চিটচিটে রান্নাঘর কীভাবে পরিষ্কার করবেন? অনেকগুলো সহজ পদ্ধতি আছে রান্নাঘর পরিষ্কার করার, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

রান্নাঘর পরিষ্কার করার সহজ পদ্ধতি

  1. ভিনেগারের মিশ্রণ

    ২ কাপ ভিনেগারে ২ কাপ পানি মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরে তা রান্নাঘরের টাইলস ও চুলার আশেপাশে তেল চিটচিটে ময়লার উপর ছিটিয়ে নরম কাপড় দিয়ে ঘষে ফেললেই পরিষ্কার হয়।

  2. ব্লিচিং পাউডার

    ব্লিচিং পাউডারের সাথে পানি মিশিয়ে তা দিয়ে টাইলস ও চুলার আশপাশে ঘষলে ময়লা পরিষ্কার হয়। তবে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের সময় অবশ্যই হাতে গ্লাভস পরতে হবে।

  3. বেকিং সোডা

    ৩ টেবিল চামচ বেকিং সোডার সাথে ১ কাপ গরম পানি মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরে তা দাগযুক্ত স্থানে ছিটিয়ে ভেজা কাপড় বা টুথব্রাশ দিয়ে ঘষলে পরিষ্কার হয়।

  4. ডিশওয়াশিং লিকুইড

    ডিশওয়াশিং লিকুইড মেশানো কুসুম গরম পানিতে নরম কাপড় ডুবিয়ে তা দিয়ে তেল চিটচিটে কাঠের ক্যাবিনেট ঘষলে সহজেই পরিষ্কার হয়।

  5. লবণ ও গরম পানির মিশ্রণ

    গরম দুধ, চা বা ভাতের মাড় উপচে পড়ে চুলায় ময়লা দাগ হলে, এক চামচ লবণ ও গরম পানির মিশ্রণ দিয়ে কাপড় বা স্পঞ্জ ব্যবহার করে ভালোভাবে ঘষে নিলেই সব দাগ উঠে যায়। আর এভাবে মাসে অন্তত একবার চুলা পরিষ্কার করতে হবে। চুলা পরিষ্কার করার সময় সরু তার দিয়ে গ্যাসের চুলার গোল ঝাঁজরিটি পরিষ্কার করে নিতে হবে।

  6. লেবু বা সাবান-পানি

    সিংক তেল চিটচিটে হলে, তা লেবু বা সাবান-পানি দিয়ে স্পঞ্জ ঘষে পরিষ্কার করা যায় খুব সহজেই। এতে সিংকের আঁশটে গন্ধও দূর হয়। সিংকের দাগ তুলতে টুথপেস্টও ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও দাগনাশক পাউডার ও লিকুইড ক্লিনার দিয়ে সপ্তাহে অন্তত ২ বার সিংক পরিষ্কার করলে দাগ ও দুর্গন্ধ দু’টোই দূর হয়।

  7. সাবান-পানি

    রান্নাঘরের মেঝেতে বসে কাটাবাছা করার কারণে দাগ পড়ে যায়। তাই প্রতিদিন সাবান-পানি দিয়ে মেঝে মুছতে হয়। এছাড়াও বাজারের বিভিন্ন ফ্লোর ক্লিনার আছে, যা ব্যবহার করে ঘর জীবাণুমুক্ত ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখা যায়।

  8. অন্যান্য

    এছাড়াও রান্নাঘরে কিচেন চিমনি, হুড, এগজ়স্ট ফ্যান ইত্যাদি থাকলে রান্নার সময় মশলা ও তেল বাষ্প হয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়। এতে রান্নাঘর তুলনামূলকভাবে কম তেল চিটচিটে হয়। মাসে অন্তত একবার রান্নাঘরের ঝুল ঝাড়তে হবে। মশলার কৌটাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কাটাবাছার যন্ত্রপাতি যেমন: দা, বঁটি, ছুরি ইত্যাদি ব্যবহারের পর নিয়মিত ধুয়ে-মুছে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখতে হবে।

দেখলেন তো, খুব সহজেই কীভাবে তেল চিটচিটেভাব দূর করে রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা যায়! তাই বাড়ির প্রতিটি সদস্যের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে, সবসময় রান্নাঘর পরিষ্কার-পরিছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখুন।

মূলভাবে প্রকাশিত