Unilever logo

কাপড় ধুতে ওয়াশিং মেশিন কিনবেন? বলে দিচ্ছি, কেনার আগে কী কী জানবেন!

নওশিন আর সুমন নতুন বিয়ে করেছে। জীবনের নতুন ধাপ সামলে নিতে দু’জনেই খানিকটা হিমশিম খাচ্ছে। কারণ, বাবা-মায়ের আদরে দু’জনেরই ঘরের কাজ একা সামলে নেয়া হয়নি আগে। তবে তারা দু’জন মিলে কাজ ভাগ করে নিলেও, কাপড় ধোয়ার ঝামেলাটা যে কেউই নিতে চায় না! এ যেন বড্ড কঠিন করে দেয় জীবন। তাই তারা ঠিক করলো কাপড় ধোয়ার জন্য ওয়াশিং মেশিন কিনবে।

আপডেট করা হয়েছে

আচ্ছা, ওদের মতো আপনিও কি ওয়াশিং মেশিন কেনার কথা ভাবছেন? কোন ওয়াশিং মেশিনটা ভালো হবে? বেশি দামে খারাপ জিনিস কিনে আনলে? এমন সব চিন্তা এখনই ঝেড়ে ফেলুন। আপনাদের সমস্যার সমাধান কীভাবে দেওয়া যায়, চলুন দেখে নিই!

কাপড় ধুতে ওয়াশিং মেশিন কেনার আগে যা যা লক্ষ্যণীয়

ওয়াশিং মেশিন কেনার আগে সবার প্রথমে মাথায় যে বিষয়গুলো রাখা উচিত, তা নিয়ে চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

  1. কোন ব্র্যান্ডের ওয়াশিং মেশিন কিনবেন?

    সংসারের সব নতুন জিনিস কেনা নিয়েই আমাদের মধ্যে কাজ করে নানান উত্তেজনা! সবার আগেই ব্র্যান্ড নিয়ে চিন্তা হয়। কষ্টের টাকায় ভালো ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট না হলে তো টাকাটাই জলে যাবে। বর্তমান বাজারে ভালো মানের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওয়াশিং মেশিন পাওয়া যায়। আপনি চাইলে সিঙ্গার, ওয়াল্টন, স্যামসাং, হিটাচি ইত্যাদি ব্র্যান্ড থেকে আপনার বাজেট অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন পছন্দের ওয়াশিং মেশিন।

  2. আপনার জন্য কোন মেশিনটি উপযুক্ত হবে?

    প্রোডাক্ট ভালো, তবে তা হয়তো আপনার বাজেট আর মেশিনের ফাংশন সিস্টেমের জন্য ভালো না। আবার আছে বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল ও সার্ভিসিংয়ের খরচা! বিশেষ করে দু’ধরনের ওয়াশিং মেশিন এখন বাজারে পাওয়া যায়। একটি হলো ফ্রন্ট লোডার ও অপরটি টপ লোডার। দেখতে আকর্ষণীয় হলেই কিনতে যাবেন না! আগে বুঝুন ফ্রন্ট লোডার ও টপ লোডারের পার্থক্য কী আর আপনার জন্য কোনটি উপযুক্ত।

    ফ্রন্ট লোডার

    ফ্রন্ট লোডার ওয়াশিং মেশিনের সুবিধা হলো এটি খুব ভালোভাবে কাপড় পরিষ্কার করে, ডিটারজেন্ট কম লাগে এবং পানি ও বিদ্যুৎ বিল কম আসে। তবে অসুবিধা হলো কাপড় ধুতে অনেক সময় নেয়, আনুমাণিক ৩ ঘণ্টা। ওজন ও দাম তুলনামূলকভাবে টপ লোডারের চেয়ে বেশি।

    টপ লোডার

    টপ লোডার ওয়াশিং মেশিনের সুবিধা হলো এটি কাপড় খুব তাড়াতাড়ি ধুতে পারে, দাম এবং ওজন দু’টোই কম। অসুবিধা বলতে কাপড় যত্নের সাথে ধোয়া হয় না, বিদ্যুৎ ও পানির বিল বেশি আসে।

  3. অন্যান্য বিষয়

    ওয়াশিং মেশিন কেনার ক্ষেত্রে এর পার্টস ওয়ারেন্টি ও সার্ভিসিং সম্পর্কে ভালো ধারণা নিতে হবে। সাধারণত বর্তমানে যে সকল ব্র্যান্ড বাজারে রয়েছে, বিভিন্ন মডেল অনুযায়ী সেগুলোর ওয়ারেন্টি সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত থাকে।

আশা করছি, উপরের তথ্যগুলো সুমন ও নওশিনের মতো আপনাকেও ওয়াশিং মেশিন কিনতে সাহায্য করবে।

মূলভাবে প্রকাশিত