যেসব কারণে বাথরুমের মেঝে ও বেসিন নোংরা হয়-
- ✦
অনবরত পানির পড়া
- ✦
সাবানের ফেনা ও ট্যাপের পানির রাসায়নিক বিক্রিয়া
- ✦
গোসলের পর জমে থাকা সাবান-পানি ইত্যাদি
বাথরুম ঝকঝকে না হওয়া পর্যন্ত পরিষ্কার করা উচিত! তবে সেটা কিন্তু হওয়া চাই সহজ আর ঝামেলাহীন। নিচের সহজ উপায় অবলম্বন করে পরিষ্কার করলে বাথরুম হবে পরিচ্ছন্ন ও শাইনি।
আপনার জন্য প্রয়োজনীয়:
-
যা করতে হবে
-
1
স্টেপ ০১ঃ
প্রথমে মেঝে ও বেসিন থেকে ছোপ ছোপ দাগ দূর করার জন্য বোতলে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লিনার স্প্রে করুন অথবা পুরানো একটা টুথব্রাশ দিয়ে ক্লিনার লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। আর ঘরে তৈরি ভিনেগার ও বেকিং সোডা মিশ্রণ ব্যবহার করলে, সেটা টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে সারারাতের জন্য রেখে দিন।
-
2
স্টেপ ০২ঃ
এরপর একটা স্পঞ্জ বা মাজুনি দিয়ে মেঝেকে ভালোভাবে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে মপ দিয়ে মুছে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
-
3
স্টেপ ০৩ঃ
বাথরুমের মেঝে ঝকঝকে বানানোর পরবর্তী ধাপটি আরও সহজ ও কম পরিশ্রমের।
এজন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বাথরুমে স্টিম তৈরি করা কিংবা মেঝে ও বেসিনে গরম পানি ঢেলে অপেক্ষা করা। এতে বাথরুমে বাষ্প জমে মেঝের ময়লাগুলো সহজেই উঠে যাবে।
-
4
স্টেপ ০৪ঃ
এরপর এতে বাথরুম ক্লিনার স্প্রে করে মিনিট খানেক অপেক্ষা করতে হবে।
এবং অবশেষে, ভেজা পেপার টাওয়েল দিয়ে ক্লিনার মুছে একটা শুকনো মাইক্রোফাইবার ক্লথ দিয়ে ততক্ষণ মুছতে হবে যতক্ষণ না মেঝে ও বেসিন শাইনি হচ্ছে!
বাথরুমে কোনো ক্লিনার ব্যবহার করার আগে ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত যে সেটা আপনার মেঝে ও বেসিনের জন্য উপযোগী কিনা, তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন: ঘরে তৈরি ক্লিনারের ভিনেগার মার্বেলের মেঝেকে বিবর্ণ করে দিতে পারে। যদিও কমবেশি সব ক্লিনারই টাইলস ফ্রেন্ডলি। তবু মেঝে ও বেসিনের ম্যাটেরিয়াল অনুযায়ী ক্লিনার নির্বাচন করতে হবে।
-
নিয়মিত পরিষ্কার না করলে বাথরুমের মেঝে ও বেসিনে স্থায়ী দাগ পড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তবে পরিষ্কার রাখার উপায় জানা থাকলে এর শাইন নিয়ে চিন্তার কোন কারণই নেই!