জেনে নিন সাদা কাপড় পরিষ্কারের জন্য নিশির প্রতিদিনের রুটিন

নিয়মিত সাদা কাপড় পরিষ্কার রাখতে সবারই রয়েছে নিজস্ব কিছু রুটিন। আপনাদের প্রিয় Rinish DIY Nest-এর নিশি শেয়ার করেছেন সাদা কাপড় পরিষ্কারের জন্য তার প্রতিদিনের রুটিনটি। জেনে নিন কীভাবে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের সাদা কাপড়গুলো পরিষ্কার রাখে।

আপডেট করা হয়েছে ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

·

লেখক Cleanipedia টিম দ্বারা নিবন্ধ

পড়ার সময় ২ মিনিট"

Hero Image 2 B ক্লোথিং কেয়ার

আমি আমার ঘর পরিষ্কার আর গুছিয়ে রাখার জন্য প্রতিদিন কিছু স্টেপ ফলো করি। আর এগুলো এখন আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর জন্য প্রথমেই আমি আমার বিছানাটা গুছিয়ে নেই। সকালবেলা সবার বিছানাই এলোমেলো থাকে। তাই প্রথমেই যদি বিছানাটা গুছিয়ে নেয়া যায় তাহলে রুম অনেকটাই গোছালো লাগে। আর বিছানা গোছানোর ক্ষেত্রে আমি বিছানার চাদর বিছানার মেট্রেসের নিচে ফোল্ড করে দিতে পছন্দ করি। এতে করে বিছানার চাদর সহজে এলোমেলো হয় না। বিছানা অনেক লম্বা সময় ধরে একইভাবে সেট থাকে। রুম গোছানো হলে আমি প্রতিদিনই লন্ড্রি করতে পছন্দ করি, এতে একসাথে অনেক ময়লা কাপড় জমে যায় না। তবে গতকাল আমরা চিটাগং থেকে ফিরেছি, তাই বেশ কিছু ময়লা কাপড় জমে গেছে। জমে যাওয়া কাপড়গুলোর মধ্যে আমার হাজবেন্ডের একটা নীল শার্টও রয়েছে। যে শার্টটা গত বছর রায়হানকে আমাদের এনিভার্সিরিতে গিফট করেছিলাম। শার্টটার কালার এখনও আগের মতোই আছে। কারণ কাপড় পরিষ্কার করার জন্য আমি ব্যবহার করি সার্ফ এক্সেল ম্যাটিক লিকুইড। সার্ফ এক্সেল ম্যাটিক লিকুইড কাপড়ের রং এবং কাপড়ের মান বজায় রাখে। রায়হানকে দেয়া এক বছর আগের শার্টের কালারটা তাই এখনও ঠিক আগের মতোই আছে। সার্ফ এক্সেল ম্যাটিক লিকুইড কাপড়ের উপর বেশ জেন্টাল এবং এটি কাপড়কে দীর্ঘদিন ভালো রাখতেও সাহায্য করে। তাছাড়া প্রায় সময় দেখা যায় কাপড়ে অনেক রকমের দাগ লেগে যায়, বিশেষ করে সাদা কাপড়ে যেকোনো দাগ একটু বেশিই বোঝা যায়। আর এক্ষেত্রেও সার্ফ এক্সেল ম্যাটিক লিকুইড আমার কাজ বেশ সহজ করে দেয়। কারণ এটা ১০০% কঠিন দাগ দূর করে ওয়াশিং মেশিনেই। কাপড় পরিষ্কার হয়ে গেলে রান্নাঘর পরিষ্কার আর গোছানোর জন্য আমি সবসময় মাল্টিটাস্কিং করার চেষ্টা করি। যার কারণে দেখা যায় অনেক সময় বেঁচে যায়। যেমন- রান্না করার পাশাপাশি আমি রান্নাঘর পরিষ্কারও করতে থাকি। এতে করে কাজের অংশে খুব বেশি কিছু জমে থাকে না। তেল আর মশলার কৌটাগুলো সহ বাকি জিনিস কাজ শেষে সঙ্গে সঙ্গেই নির্দিষ্ট জায়গায় গুছিয়ে রাখি। আর সব কাজ শেষে সিংক পরিষ্কার করে ফেলি। এর পাশাপাশি ঘরের অন্যান্য জায়গাও গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করি। আর পরিষ্কারের ঝামেলা আরো কমিয়ে আনতে আমি দুটো জিনিস ব্যবহার করি দরজার কাছাকাছি, তা হচ্ছে- ডোর ম্যাট আর সু কেবিনেট। দরজার সামনে ম্যাট থাকলে জুতোয় জমে থাকা ময়লাগুলো পরিষ্কার করা যায় সহজে। আর সু কেবিনেটের মধ্যে সাথে সাথেই জুতাগুলো রেখে দেয়া যায়। এর মাধ্যমে জায়গাটা একবারেই অগোছালো হয় না। সবসময় সাজানো গোছানোই থাকে। এইতো, এই স্টেপগুলো ফলো করে আমি প্রতিদিন আমার ঘর পরিষ্কার করি ও ঘরের সব গুছিয়ে রাখি। আশা করি এই সহজ স্টেপগুলো ফলো করে আপনারাও আপনাদের ঘর পরিষ্কার করে সবসময় গুছিয়ে রাখতে পারবেন।

প্রবন্ধটি সহায়ক ছিলো কি?